বাংলা সিনেমার গানে বোম্বে, দ্বিতীয় পর্ব – কিশোর কুমার
পাঁচ ও ছয়ের দশকে বাংলা ছবির প্লেব্যাক সাম্রাজ্যে হেমন্ত
মুখোপাধ্যায়ের রাজত্ব। সঙ্গে মান্না দে, শ্যামল মিত্র ও মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়।
কিশোর কুমার তখন হিন্দি ছবিতে নিজের জমি শক্ত করতে আগ্রহী, যেখানে মহম্মদ রফি
ছিলেন শীর্ষে, রাজ কাপুরের কারণে মুকেশও এগিয়ে খানিকটা। সাতের দশকের শুরুর দিক থেকে রাহুল দেব বর্মন
তৈরি করে ফেললেন নিজের জায়গা, রাজেশ খান্নাও হয়ে উঠলেন বোম্বের সুপারস্টার। বলা
হয়, রাজেশের সেই উত্থানে সমান অবদান কিশোরেরও। আরাধনা পায়ের নিচে জমি দিয়েছিল
রাজেশকে আর কিশোরকে দিয়েছিল বোম্বেতে কাঙ্ক্ষিত জায়গাটা। সঙ্গে রাহুলের বন্ধুত্ব
এবং এই ত্রয়ীর ছক্কা হাঁকানো সাতের দশকের শুরু থেকেই।
বাংলা সিনেমায় কিশোরের প্রথম গান নিয়ে অবশ্য সংশয়ের অবকাশ নেই। তাঁরই প্রযোজিত ‘লুকোচুরি’ ছবিতে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সুর। গায়ক ও নায়ক হিসাবে কিশোর সেখানে চারটি গান গেয়েছিলেন।
গীতা দত্ত ও রুমা গুহঠাকুরতার সঙ্গে দুটি ডুয়েট এবং ‘এক পলকের একটু দেখা’ ও ‘শিং
নেই তবু নাম তার সিংহ’। অভিষেকেই চার গোল!
ছয়ের দশকে যেহেতু ব্যস্ততা বোম্বেতেই, বাংলায় তেমন জনপ্রিয়
গান পাওয়া যায়নি কিশোরের। ব্যতিক্রম হিসাবে থেকে গিয়েছিল সত্যজিৎ রায়ের চারুলতা,
যেখানে কিশোরের খোলা গলা কাজে লাগিয়েছিলেন পরিচালক। প্রায় বছর কুড়ি পর, ঘরে বাইরে
ছবিতেও ব্যবহার করবেন তাঁকেই। আবার, গুপি-বাঘার গানের ক্ষেত্রেও, সন্দীপ রায়
জানিয়েছেন, কিশোরকেই পছন্দ ছিল সত্যজিতের। কিন্তু, সেই সময় নানা কারণে খুব ব্যস্ত
কিশোরের পক্ষে সময় বের করা সম্ভব হচ্ছিল না। তখন সত্যজিৎ বেছে নিয়েছিলেন অনুপ
ঘোষালকে এবং পরেরটুকু, ইতিহাস!
রাহুল-উত্তম-কিশোর
সাতের দশকের শুরুতে রাজকুমারী ছবিতে উত্তমকুমারের জন্য
কিশোর কুমারের কণ্ঠ ব্যবহার করেছিলেন আরডি। সিনেমাটা চলেনি যেমন, সেই সময় গানও
চলেনি। কিন্তু, উত্তমের লিপে কিশোর সেই প্রথম। পরে কিশোরই স্বীকার করেছিলেন, সেই
সময় বাঙালির মহানায়কের কণ্ঠমাধুর্য ঠিকঠাক না বুঝেই গেয়ে ফেলেছিলেন বলেই হয়ত ঘটেছিল
তেমন। শক্তি সামন্ত তারপর করেছিলেন দুটি দ্বিভাষিক ছবি – অমানুষ ও আনন্দ আশ্রম।
দুটিতেই নায়কের চরিত্রে উত্তম কুমার। সুরকার হিসাবে ছিলেন শ্যামল মিত্র। উত্তমের
লিপে হেমন্ত ছাড়িয়ে তখন মান্নার যুগ। কিন্তু শক্তি সামন্তই নাকি শ্যামল মিত্রকে
বলেছিলেন, কিশোরকে ব্যবহার করতে। প্রাথমিক একটু অস্বস্তি ছিল শ্যামলের। পরে মেনে
নেন পরিচালকের কথা। রোমান্টিক নায়ক হিসাবে রাজেশ খান্নার সঙ্গে যাঁর গলা তখন জুড়ে
গিয়েছে ভূভারতে, বাঙালির সেরা অভিনেতার পর্দায় রোমান্টিক ভাবমূর্তির সঙ্গে কিশোরের জুটি কেনই বা জমবে না, এই ভাবনা থেকেই
নাকি এসেছিলেন কিশোর।
অমানুষের হিন্দি ভার্সানে ‘দিল অ্যায়সা কিসিনে মেরা তোড়া’ ফিল্মফেয়ার পেয়েছিল। আর বাংলায় ‘কী আশায় বাঁধি খেলাঘর’ এখনও ব্লকবাস্টার। আশা ভোঁসলের সঙ্গে উত্তম-শর্মিলা মিষ্টি প্রেমের ‘যদি হই চোরকাঁটা ওই শাড়ির ভাঁজে’ একই রকম জনপ্রিয়। দু-বছর পর আনন্দ আশ্রমে ওই একই জুটির ছবিতে শক্তির পরিচালনায় আবারও শ্যামল সুরকার এবং এবার তিনটি গান। আশার সঙ্গে ‘আমার স্বপ্ন তুমি ওগো চিরদিনের সাথী’, আর কিশোরের সোলো দুটি – ‘পৃথিবী বদলে গেছে’ ও ‘আশা ছিল ভালবাসা ছিল’। উত্তম কুমারের লিপেও প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিলেন কিশোর।
পরে, ১৯৮০ সালে বাপি লাহিড়ি যখন সুযোগ পেলেন ‘ওগো বধূ
সুন্দরী’ ছবিতে সুরকার হিসাবে, কিশোরকে দিয়েই চারটি গান করালেন। ‘এই তো জীবন’, ‘আমি একজন শান্তশিষ্ট পত্নীনিষ্ঠ ভদ্রলোক’, ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’ এবং ‘শুধু তুমি নয় অবলাকান্ত’। মনে রাখা প্রয়োজন, রাহুল দেব বর্মনই কিন্তু ‘রাজকুমারী’
ছবিতে, সেই ১৯৭০ সালে উত্তমের লিপে এনেছিলেন কিশোরকে।
সাতের দশকের শেষে সলিল চৌধুরি দুটি ছবিতে কিশোরকে কাজে
লাগিয়েছিলেন দুর্দান্তভাবে। কবিতা-য় কমল হাসান এবং অন্তর্ঘাত ছবিতে মিঠুন
চক্রবর্তীর লিপে দিয়ে গিয়েছিলেন দুটি অমর সৃষ্টি – যথাক্রমে ‘শুনো শুনো গো সবে’
এবং ‘মনে পড়ে সেই সব দিন’। গোলমাল ছবিতে অমল পালেকারের লিপে ‘আনেওয়ালা পল
।আনেওয়ালা হ্যায়’ যেমন অমর, বীরেশ্বর সরকার ‘মাদার’ ছবিতে অমলের জন্য ব্যবহার
করলেন সেই কিশোরকেই। ‘আমার নাম অ্যান্টনি’ ও ‘কী দারুণ দেখতে’,
সোলো। আজও জনপ্রিয়। আশার সঙ্গে দুষ্টুমিষ্টি ‘এক যে ছিল রাজপুত্তুর’, পর্দায় অমল ও
শর্মিলার মিষ্টি প্রেম। পরে, ১৯৮৪ সালে বেরনো ‘প্রার্থনা’ ছবিতে বাসুদেব চক্রবর্তীও হাঁটলেন একই
রাস্তায়। ‘চেয়েছি যারে আমি’ অমলের লিপে গাইয়ে নিলেন, সেই কিশোরকে দিয়েই।
‘আমারই এ কণ্ঠ ভরে’
আটের দশকে অবশ্য কিশোর ছাড়া আর কেউ নেই-ই প্রায়, বাংলা ছবিতে
নায়কদের প্লেব্যাক-এ। এমনিতেই আটের দশক খুব একটা ভাল নয় বাংলা সিনেমার গানের
ক্ষেত্রে। মনে রাখার মতো যতগুলো প্রচেষ্টা, সিংহভাগ কিশোরের। সুখেন দাসের ছবি, অজয়
দাসের সুর এবং অনবদ্য কিশোর কুমার। একা রাজত্ব করলেন। আরডি এবং বাপি লাহিড়ি তো
ছিলেনই, অজয় দাসের সুরে প্রায় কুড়িটি গান গেয়েছিলেন কিশোর সেই সময় এবং প্রতিটিই
প্রবল জনপ্রিয়।
সুখেন দাসের ছবিতে প্রথমবার কিশোরকে গাওয়ানো নিয়ে এক মজার
গল্প আছে। সুখেন-অজয় দুজনেই মুম্বইতে, সঙ্গে আরও কয়েকজন। প্রতিশোধ ছবিতে চাই
কিশোরকে। বাড়ির দরোয়ানকে হাত করে কিশোরের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে চেষ্টা করেছিলেন
সুখেন-অজয়। সে-কারণে দরোয়ানের খানাপিনা ইত্যাদির খরচও সরবরাহ করতে হচ্ছিল। কিন্তু কিছুতেই
দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। ওদিকে, মুম্বইতে দিনের পর দিন থাকতে গিয়ে পকেটের হাল খারাপ
থেকে খারাপতর। শেষে একদিন সুখেন নিজেই কিশোরের বাড়ি গিয়ে চেঁচামেচি জুড়ে দিয়েছিলেন,
সরাসরি কিশোরের সঙ্গে কথা বলে, জবাবদিহিও চেয়ে। সব শুনে কিশোর থ। পরে সব ঠিকঠাক,
জানা গিয়েছিল কিশোরের বাড়ির দরোয়ান জানাননি কিছু মালিককে। আর কখনও কোনও অসুবিধা হয়নি,
অজয়ের সুরে কিশোরের গানও বেরলেই সুপারহিট। ‘কত কী রয়েছে লেখা’ বই-এ সুমন গুপ্ত
লিখেছিলেন সেই গল্প।
বাপি লাহিড়িও তাঁর ‘কিশোরমামা’-কে ভরিয়ে দিয়েছিলেন অমরসঙ্গী
ও গুরুদক্ষিণায়। রাহুলের সহকারীরা, স্বপন চক্রবর্তী, বাসুদেব চক্রবর্তীরাও যে
যেভাবে পারলেন, রাহুলের সঙ্গে কিশোরের সম্পর্কের সূতো ধরে পেয়ে গেলেন চিরন্তন হিট
কিছু গান। স্বপন-জগমোহন জুটির সুরে রনজিৎ মল্লিক এবং তনুজার
‘লালকুঠি’ ছবিতে ড্যানির লিপে ‘কারও কেউ নইকো আমি’-ও সিনেমা হিট হওয়ার অন্যতম কারণ
যেমন, এখনও বাংলায় কিশোরকণ্ঠীরা জলসায় এই গানের অনুরোধ পেয়ে থাকেন, শোনানও।
অকালমৃত্যুর আগে পর্যন্ত কিশোর কুমারই ছিলেন বাংলা ছবির
গানে মুকুটহীন সম্রাট, ঠিক যেমন ছিলেন হিন্দিতেও। বাংলা ছবিতে তাঁর মোট গান লতার (১৩৮) তুলনায় একটু বেশি – ১৪৯।
প্রকাশিত শেষ গান, মৃত্যুর পর। গৌতম বসুর সুরে, হীরক জয়ন্তী
ছবিতে, ১৯৯০ সালে। প্রতীকী - ‘বহু দূর থেকে এ কথা, দিতে এলাম উপহার’!
কিশোর কুমার (বাংলা ছায়াছবির জনপ্রিয় কিছু গান)
সুরকার – হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
শুধু একটুখানি চাওয়া (গীতা),
এই তো হেথায় (রুমা), এক পলকে
একটু দেখা, শিং নেই তবু নাম তার সিংহ (লুকোচুরি,
১৯৫৮); ওগো নিরুপমা (অনিন্দিতা,
১৯৭২); কী করে বোঝাই তোদের (প্রক্সি, ১৯৭৭)
পরিচালক – সত্যজিৎ রায়
আমি চিনি গো চিনি (রবীন্দ্রসঙ্গীত,
চারুলতা, ১৯৬৪); বিধির বাঁধন
কাটবে তুমি, চল রে চল সবে ভারত সন্তান, বুঝতে নারি নারী কী চায় (ঘরে বাইরে, ১৯৮৪)
সুরকার – রাহুল দেববর্মন
এ কী হল, কী বলিতে এলে
(রাজকুমারী, ১৯৭০); আমার
স্বপ্ন যে (লতা), ফুলকলি রে ফুলকলি
(আশা), কালিরামের ঢোল (অনুসন্ধান,
১৯৮০); আধো আলো ছায়াতে (আশা)
(কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী, ১৯৮১); আরও কাছাকাছি (আশা), জানা অজানা
(আশা, আরডি), একটানেতে যেমন
তেমন (ত্রয়ী, ১৯৮২); পথ হোক বন্ধুর (শৈলেন্দ্র, শক্তি),
চুরি ছাড়া কাজ নেই (লতা), নতুন সে তো নতুনই (আশা), এমন মজার
শহর (তিনমূর্তি, ১৯৮৪); ছেড় না ছেড় না হাত (সাবিনা), দেখলে
কেমন তুমি খেল, রুই কাতলা ইলিশ তো নয় (অন্যায়
অবিচার, ১৯৮৫)
সুরকার – শ্যামল মিত্র
যদি হই চোরকাঁটা (আশা),
কী আশায় বাঁধি খেলাঘর (অমানুষ, ১৯৭৫); আমার স্বপ্ন তুমি (আশা),
পৃথিবী বদলে গেছে, আশা ছিল ভালবাসা ছিল
(আনন্দ আশ্রম, ১৯৭৭); মনে
হয় স্বর্গে আছি (বন্দি, ১৯৭৮); কোনও কাজ নয় আজ (আশা), একই সাথে
হাত ধরে (আশা), কিছু কথা ছিল চোখে
(কলঙ্কিনী, ১৯৮১)
সুরকার – শচীন দেব বর্মন
আজ হৃদয়ে ভালবেসে (লতা),
এত কাছে দুজনে, মোর স্বপ্নেরই সাথী (আরাধনা, ১৯৭৬)
সুরকার – সলিল চৌধুরি
শুনো শুনো গো সবে (কবিতা,
১৯৭৭); ও আমার সজনী গো (লতা),
মনে পড়ে সেই সব দিন (অন্তর্ঘাত ১৯৮০, পরে, সিনেমার নাম পাল্টে ‘স্বর্ণতৃষা’)
সুরকার – স্বপন-জগমোহন
ঢলে যেতে যেতে (আশা),
কারও কেউ নইকো আমি (লালকুঠি, ১৯৭৮); পারি না সইতে, চোখেতে শাওন
গায় গুনগুন (জ্যোতি, ১৯৮৭)
সুরকার – বীরেশ্বর সরকার
এক যে ছিল রাজপুত্তুর (আশা),
আমার নাম অ্যান্টনি, কী দারুণ দেখতে (মাদার, ১৯৭৯)
সুরকার – বাপি লাহিড়ি
এই তো জীবন, আমি একজন
শান্তশিষ্ট, নারী চরিত্র বেজায় জটিল, শুধু
তুমি নয় অবলাকান্ত (ওগো বধূ সুন্দরী, ১৯৮০);
আজ এই দিনটাকে (অন্তরালে, ১৯৮২); হো রে রে রে রে (প্রতিদান,
১৯৮৩); হে জোরে চলো (দুজনে,
১৯৮৪); চিরদিনই তুমি যে আমার (অমরসঙ্গী, ১৯৮৭); তোমরা যতই আঘাত
করো, কোথা আছ গুরুদেব, এ আমার গুরুদক্ষিণা
(গুরুদক্ষিণা, ১৯৮৭)
সুরকার – অজয় দাস
হয়ত আমাকে কারও মনে নেই, আজ মিলনতিথির
পূর্ণিমা চাঁদ (প্রতিশোধ, ১৯৮১);
এ তো কান্না এ তো নয় গান (সংকল্প, ১৯৮২); অনেক জমানো ব্যথা বেদনা (পারাবত প্রিয়া, ১৯৮৩); কী উপহার
সাজিয়ে দেব, ওপারে থাকব আমি, আমারই এ কণ্ঠ
ভরে (জীবন মরণ, ১৯৮৩); আজ শুভদিনে যদি (আরতি) (দাদামণি,
১৯৮৩); আমি যে কে তোমার (অনুরাগের ছোঁয়া, ১৯৮৬); আর তো নয়
বেশিদিন, সুখেও কেঁদে ওঠে মন (মিলনতিথি,
১৯৮৬); দুজনাতে লেখা গান (অভিমান, ১৯৮৬); ফোটে যে রক্ত গোলাপ
(লালমহল, ১৯৮৬); তুমি মা
আমাকে, এই তো জীবন (অমর কন্টক, ১৯৮৭)
সুরকার – রবীন্দ্র জৈন
ও মা পতিত পাবনী গঙ্গে (হরিশ্চন্দ্র
শৈব্যা, ১৯৮৪)
সুরকার – স্বপন চক্রবর্তী
নাই নাই এ আঁধার থেকে (মোহনার দিকে,
১৯৮৪); প্রেমের খেলা কে বুঝিতে পারে, কথা দিলাম (সুরের আকাশে, ১৯৮৮)
সুরকার – বাসুদেব চক্রবর্তী
চেয়েছি যারে আমি (প্রার্থনা,
১৯৮৪)
সুরকার – মৃণাল বন্দ্যোপাধ্যায়
জানি যেখানেই থাকো, তোমার বাড়ির
সামনে দিয়ে (তুমি কত সুন্দর, ১৯৮৮)
সুরকার – কানু ভট্টাচার্য
ওরে মন পাগল, আমারও তো
গান ছিল (দোলন চাঁপা, ১৯৮৯)
সুরকার – মানস মুখার্জি
এই জীবনের পথ সোজা নয় জেনো (বান্ধবী,
১৯৮৯)
সুরকার – গৌতম বসু
বহু দূর থেকে এ কথা (হীরক জয়ন্তী, ১৯৯০)

